ভাড়া দিয়ে বছরে আয় হবে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

ভাড়া দিয়ে বছরে আয় হবে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

0
40

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে ২০টি দেশের ব্যবহারের জন্য রেখে বাকিগুলো অন্যান্য দেশের কাছে ভাড়া দেওয়া হবে। অব্যবহৃত এই অংশ নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারের মতো দেশে ভাড়া দিয়ে প্রাথমিকভাবে প্রতিবছর ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করা যাবে। পর্যায়ক্রমে তা বেড়ে ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। এছাড়া বর্তমানে দেশের টেলিফোন, রেডিও এবং টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারে বিদেশি স্যাটেলাইটের উপর নির্ভর করতে হয়। এতে প্রতিবছর ভাড়া বাবদ বাংলাদেশকে গুনতে হয় ১১০ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু হলে দেশের এ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ট্রান্সপন্ডারগুলো ভাড়া দিয়ে বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক অর্থ আয় করাটা একটি চ্যালেঞ্জ। তার পরও এর পূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে এ কাজটি করতে সফল হবেন বলে মনে করছেন বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, উৎক্ষেপণের পর এটিআকাশে অবস্থান করলেও এর যাবতীয় কার্যক্রম মাটি থেকে পরিচালনা করা হবে। এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিদেশে প্রশিক্ষণ শেষে তারা কাজও শুরু করেছেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালেনিয়া উৎক্ষেপণের পর তিন বছর প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে। এর পর আমাদের কোম্পানির তরুণ প্রকৌশলীদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, থ্যালেসের পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়েছে, তোমাদের দেশের তরুণ প্রকৌশলীরা খুবই দক্ষ এবং মেধাবী। তারা যদি চায় উৎক্ষেপণের পর থেকেই স্যাটেলাইট পরিচালনা করতে পারবে।

(দুরন্ত নিউজ রিপোর্টের)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here