কমেনি যাত্রী দুর্ভোগ’ সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রী হয়রানি,

0
38

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর অধিকাংশ সিটিং সার্ভিসের গাড়ীগুলো চলছে নানা রকমের তালবাহানায়। সিটিং সার্ভিসের যেসব নিয়ম রয়েছে তা মানছেনা অধিকাংশ সিটিং সার্ভিসের গাড়ীগুলো।রাজধানীর এসব সিটিং সার্ভিসের গাড়ীতে নির্দিষ্ট আসনে লোক তোলা এবং নির্দিষ্ট স্টপিসে থামার কথা থাকলেও অতিরিক্ত লোক উঠানো হচ্ছে এসব গাড়ীতে এবং স্টপিস ছাড়া যেখানে সেখানে থামানো হচ্ছে। এতে করে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।সরজমিনে রাজধানীর সদরঘাট, গুলিস্থান, পল্টন, প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, বাংলা মটর, কাওরান বাজার, ফার্মগেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে প্রায় সব সিটিং সার্ভিস গুলোতেই একই অবস্থা। এসব গাড়ীর চালক এবং কর্মচারীরা কোন নিয়মনীতি না মেনে গাড়ী পরিচালনা করছে। গাড়ীতে উঠে দেখা যায় ভীতরে পা রাখার জায়গা নেই। ঠাসাঠাসি করে লোক তোলা হয়েছে গাড়ীতে।রাজধানীর বিজয় স্মরনী, মহাখালী, জাহাঙ্গীর গেট, কুড়িল বিশ্বরোড, খিলক্ষেত, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, আব্দুল্লাপুর রুট ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। গাড়ীতে এতো লোকের বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, গাড়ীতে সিটিং সার্ভিস লেখা দেখা উঠেছি। কিন্তু উঠার পর দেখি কোন সিট ফাকা নেই তাই বাধ্য হয়ে দাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।কয়েকজন মহিলা যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, প্রতিটি গাড়ীতে মহিলাদের নির্দিষ্ট আসন থাকে যেগুলো শুধু মহিলাদের বসার জন্য সরকারি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব সিটিং নামের চিটিং গাড়ীতে উঠলে সবসময় দেখা যায় মহিলা আসনে পুরুষ বসে আসে। গাড়ীর সুপার ভাইজারদের বলেও কোন ফল পাওয়া যায়না। অফিসের সময় দেড়ি হয়ে যায় তাই এদের সাথে কথা না বলে কষ্ট করে যেতে হয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক বাসের এক সুপারভাইজারের কাছে এসব অনিয়মের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে আমরা সিটিং সার্ভিস এর সব নিয়ম মেনে চলি। তবে মাঝে মাঝে গাড়ী কম থাকে যাত্রী বেশি থাকে তাই নিয়ে যেতে হয়। আজকে বৃষ্টির কারণে গাড়ী কম এ কারণেই একটু বেশি যাত্রী তুলেছি। আসলে প্রতিদিন এ রকম হয়না। আর আমরা খুবই সতর্কতার সাথে গাড়ি চালাই নির্দিষ্ট স্টপিস ছাড়া থামিনা। আর এক স্টপিস থেকে অন্য স্টপিসে আমাদের গেটবন্ধ থাকে।এদিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, সিটিং সার্ভিসে নির্দিষ্ট আসনে যাত্রী উঠানোর কথা থাকলেও আসনের চেয়েও অধিক পরিমাণ যাত্রী উঠানো হয়। কোন নিয়মনীতি না মেনেই বাস স্টপিস ছাড়াই যেখানে সেখানে বাস থামানো হয়। ফলে যেখানে যেতে এক ঘন্টা সময় লাগার কথা সেখানে যেতে প্রায় দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় লেগে যাচ্ছে।এসব অভিযোগের বিষয় এক বাস সুপার ভাইজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আসলে আমরা নিয়মনীতির মধ্যেই চলাচল করি মাঝে মধ্যে রাস্তার ঝামেলার কারণে এ ধরণের সমস্যায় পড়তে হয়।সূত্র :সময়ের কন্ঠস্বর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here